Monthly Archives: November 2018

হাফ ইয়ারলি।



চাইবাসা এসে যাও কার বাসা?
মশা কার খোঁজে মসাগ্রাম?
উকিলেরহাটে কে কার উকিল?
নামখানা কার দেয়া নাম?

চিঠি।

chhotomashima_tree

একটা পোস্টকার্ড এসেছিল। তাতে কারও হাতে আঁকা গাছের ছবি। ছবিটা একটু ঝাপসা করে দিলাম, কারণ সঙ্গের চিঠিটা ব্যক্তিগত। চিঠির জবাবটা পড়ায় বাধা নেই। জবাবের তারিখ ৩০ শে জানুয়ারি, ১৯৮৭। যিনি ছবিটা এঁকেছিলেন, তিনি আর ইহজগতে নেই।
___________


ওগো বিপ্রাণী
ছবি চিঠিখানি
এসেছে মাসের সত্’রো
যায় না সে বলা
এমনি উতলা
হয়েছি পড়ে সে পত্র।
সাধ জাগে মনে
গিয়ে তব সনে
নির্জলা মারি আড্ডা
কোথা ফুরসত
বড় বদখত্
জীবন নাম্নী গাড্ডা
ছেড় না কো হবি
এঁকে চল ছবি
জোগাবে বিপুলানন্দ
হয়তো বা ছড়া
ভরে ঘড়া ঘড়া
আমিও বাঁধব ছন্দ
হোক না বেতালা
তবুও নিরালা
নিভৃতে জাগাবে মায়া
দূর নদী কূলে
যেথা ফুলে ফুলে
ফেলেছে গভীর ছায়া
বৃক্ষটি তব
বসন্তে নব
ঘিরেছে ভ্রমর ঝাঁকে ঝাঁক
ভরিয়ে চিত্ত
শাখায় নিত্য
কোকিলেতে করে হাঁক ডাক।

বিরহ।

harare_dark


                   তোমা হারা রেতে
                   কাঁদি হারারেতে। 

***
***

চালু

বলেছিল নিউটানে 
মাধ্‌ধিয়া কার্ষাণে 
নীচে মোরে টানবে রে টানবেই 
হই আমি সুটকো 
হই আমি মুটকো
মাটিতে আছড়ে হাড় ভাঙবেই। 
তবে বাবা নিউটান
মাধ্‌ধিয়া কার্ষাণ 
তোমারে টানে নি কেন মর্ত্যে? 
টান যদি দিয়ে থাকে
কেমনেতে কোন ফাঁকে 
গেলে তুমি পালিয়ে অমর্ত্যে?

_______
Style inspired by Ogden Nash.

পলাতকা


একটাই দোষ আছে তোমাতে —
মনে হয় তুমি ঠিকই
দেখা দেবে চুপি চুপি —
শুধু যদি থাকি আমি কোমা-তে।

জানে।

bokajan


কোন পথে 
         বোকাজান-এ
                  যেতে হবে   
                          বোকা জানে। 

গোমাড়া মন


মন ভোমরা আজকে কেন গোমড়া রে,
বলতে পার কেউ আছ কি তোমরা রে?
সকাল থেকেই আকাশ আধার ঘুটঘুটে
বেড়াল ছানা চারটে বসে ফুটফুটে।
অবাক হয়ে শুনছে ছাতের এক কোণে
টিকটিকিটা ঝিমিয়ে বসে এক মনে
বলছে তোরা আজকে ইঁদুর খা’সনে আর
আরশোলাটাও বাঁচলে ক্ষতি নেই আমার
দিনটা তোরা হা হুতাশেই রাখ ভরে
আজ সকালে গোমড়া হয়েই থাক ওরে।

প্রেম


শুনেছ কী বলে গেল সীতানাথ গুপ্ত?
তারও নাকি এককালে ছিল বুকে সুপ্ত —
উষ্ণ প্রেমের ধারা
অবাধ্য দিশাহারা
হাফসোল খেয়ে আজ সবই অবলুপ্ত।

পটল তোলা বুড়ো

bhut

জ্যামিতি


জ্যামিতি পড়াতে গিয়ে সীতারাম সরখেল
ছাত্রের মুণ্ড-ুটা ভেবে নিয়ে ন’রকেল
অন্তত ষাটটা
মারলেন গাঁট্টা
মুণ্ড-ুটা ভেঙে হোল দুটো সেমি স’রকেল।