Monthly Archives: June 2019

Ogdenfully Mough


If, in a burner, I had been fried,
Chances are high that I would have died.
And if outside a burner, I happen to be dead,
They’ll fry me in the burner still, I constantly dread.
What confuses me enormously though –
Is which of these happenings, will bring happiness mough.

Dreams — Haiku


wacky haiku poems,
scalded by the noonday sun —
dreaming rainy dreams …

পিয়ানো


টুং টাং ঠুং ঠাং টুং টাং ঠুং ঠাং — পিয়ানো!
রিমঝিম রিমঝিম রিমিঝিমি রিমিঝিমি — পিয়ানো!
টলমল টলমল জোয়ারের ভরা জল — পিয়ানো!
ঝিলমিল ঝিলিমিলি হাসিটি তোমার — সেও পিয়ানো!

Owlgden


Owls are known to screech and they can also hoot
But what’s far more important’s, they’re awfully cuoot.
I understand further that they’re supposed to be wise
Being equipped with an inner light for darknesses to surmise.
An owl had once unfortunately though, in broad and sunny daylight,
Arrived by mistake in my home, where it found no deelight.
Light brown feathers it had worn and could’ve been young or old,
And though I wished to pat its back, I wasn’t exactly bold.
It crouched in a corner — sightless, sad and scared,
In wilderness it’d landed, for all it could’ve cared.
It didn’t screech all through the day, nor did it hoot,
And it remained seated where it sat, infinitely cuoot.
Till the sun had managed to set and arrived a dusky shade,
When it began to stir a little and soon its wings it spreade.
Long were those wings and loud was its screech
As it flew from room to room and made me lose my spreech.
A frightened owl and a frightened mee
From each other as we tried to flee,
Hunter we each thought, the other was,
Chasing its prey, by jungle laws,
Till against a glass pane alas, the owl had finally crashed,
Which grumbled a little as expected, but dutifully crackshed,
Creating a hole through which the owl then speedily escaped,
As I shivered under a table alone and stupidly at it gayscaped.
I know not where it went to then, to screech or to hoot,
But wherever it may be now, it must be awfully cuoot.

___
Photo Source

 

Owlgden


Owls are known to screech and they can also hoot
But what’s far more important’s, they’re awfully cuoot.
I understand further that they’re supposed to be wise
Being equipped with an inner light for darknesses to surmise.
An owl had once unfortunately though, in broad and sunny daylight,
Arrived by mistake in my home, where it found no deelight.
Light brown feathers it had worn and could’ve been young or old,
And though I wished to pat its back, I wasn’t exactly bold.
It crouched in a corner — sightless, sad and scared,
In wilderness it’d landed, for all it could’ve cared.
It didn’t screech all through the day, nor did it hoot,
And it remained seated where it sat, infinitely cuoot.
Till the sun had managed to set and arrived a dusky shade,
When it began to stir a little and soon its wings it spreade.
Long were those wings and loud were its screech
As it flew from room to room and made me lose my spreech.
A frightened owl and a frightened mee
From each other as we tried to flee,
Hunter, we each thought, the other was,
Chasing its prey by jungle laws,
Till against a glass pane alas, the owl had finally crashed,
Which grumbled a little as expected, but dutifully crackshed,
Creating a hole through which the owl then speedily escaped,
As I shivered under a table alone and stupidly at it gayscaped.
I know not where it went to then, to screech or to hoot,
But wherever it may be now, it must be awfully cuoot.

___
Photo Source

 

Exceptions


Except for those that get trapped inside my pants,
I really don’t think I hold a grudge against ants.

Ogdentricity

Ogdentricity,
I believe’s a form of eccentricity.
Which need not be the worst form of madness.
In fact, it’s superior to other kinds of badness.
Such as a ferocious beast,
A malignant cyst, or an economeast,
All of which are full of insidious intent
To not let you survive and new Ogdentricities invtent.

লোকটা (অণুগল্প ১০)

লোকটা গড়গড় করে আমার নেম প্লেটটা পড়ছিল। বেশ উঁচু গলায়।  নাম, আমার পেশার খবর, ঠিকানা। পড়া হয়ে গেলে একটু দাঁড়িয়ে রইল। তারপর হাঁটতে হাঁটতে পাশের বাড়িতে গিয়ে আবার নেম প্লেটের সামনে দাঁড়াল। আমিও রাস্তায় নেমে এসে  তাকে দেখতে লাগলাম। শুনতে পেলাম সেখানেও নেম প্লেট পড়ছে। অনুপম নাগ। বিএ এ, বি এল, অ্যাডভোকেট, কলকাতা হাই কোর্ট। ৩৪/১ এগডালিয়া রোড। আবার বেশ জোরে জোরে। এত ভোরে আমার মত অনুপম বাবুরও কি ঘুম ভাঙাল?

আমিই কথা বললাম। এই যে, শুনছেন? সে চমকে ঘুরে আমার দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল।

আমি বললাম — কী চান আপনি?

— আমি কিছু চাইব কেন? আপনিই তো চাইছেন।

— আমি চাইছি? আমি আবার কী চাইলাম।

— কেন? এই তো জানতে চাইলেন আমি কী চাই?

কথাটা ঠিক।

সে ধীরে ধীরে এগিয়ে এল আমার দিকে। একটু পিছু হটে এলাম গেটের ভিতরে। যদি গুণ্ডা টুণ্ডা হয়। মারতে পারে। কিন্তু সেসব কিছু করল না। কিছুক্ষণ আমার দিকে চেয়ে থেকে জিজ্ঞেস করল — আপনি কে? আমি আমার নামটা বললাম। শুনে তাড়াতাড়ি সে গিয়ে আমার নেম প্লেটখানা আবার দেখল। আপনি তো এই নেম প্লেটের নাম বলছেন।

— হ্যাঁ, তাই তো বলছি।

একটা অদ্ভুত অবিশ্বাসের হাসিতে তার মুখ ভরে গেল। তারপর বলল — ওটা তো আমি। এত মিথ্যে কথা বলেন কেন বলুন তো?

— কী মিথ্যে কথা বললাম?

— এই তো একটু আগে বললেন আপনি কিছু চান নি। এদিকে চেয়েছেন। এখন নাম ভাঁড়াচ্ছেন। বুড়ো বয়েসে লজ্জা নেই।

চটে গিয়ে আমি বললাম — মিথ্যে কথা তো আপনি বলছেন। আমার নামটা বলছেন আপনার।

লোকটা অট্টহাসি করে উঠল।

— হাঃ হাঃ হাঃ … এরপর তো বলবেন অনুপম নাগও আপনারই নাম ।

— তা কেন বলব? সে তো পাশের বাড়ির লোকের নাম?

লোকটা কেমন যেন ঘাবড়ে গেল।

— অনুপম নাগ তো আমার নাম। ঐ বাড়িতেও একই কর্ম চলছে? এতো দেখছি জোচ্চোরে ভরা একটা পাড়া। এরপর হয়তো বলবেন উলটো দিকের ভবতোষ পালও ঐ বাড়ির লোকটার নাম।

— বলবই তো। ভবতোষ বাবুকে তো চিনি। উলটো দিকের বাড়িতে থাকেন।

— কী? এত বড় আস্পর্ধা! আমি ভবতোষ পাল আপনার উলটো দিকের বাড়িতে থাকি?

লোকটা বলে চলে।

— রোজ এসে দেখি প্রত্যেকটা লোক বাড়িতে আমার নেম প্লেট লাগিয়ে রেখেছে। কেউ বাদ যায় নি। এতদিন কিছু বলি নি। এবার …

ওর কথা শেষ হওয়ার আগেই আমি বললাম — এবার কী?

— ব্যবস্থা নেব, ব্যবস্থা …

— কীসের আবার ব্যবস্থা নেবেন?

লোকটা কোনও জবাব দিল না। আমিই আবার বললাম।

— আচ্ছা, আপনি কে বলুন তো?

শুনে লোকটা প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে কি যেন তন্ন তন্ন করে খুঁজল। কিছু না পেয়ে আমার দিকে ফিরে তাকাল।

— পেলাম না।

— কী পেলেন না?

— কী আবার? আমাকে। আপনি এত কিছু চান কেন বলুন তো?

— কোথায় থাকেন?

অগ্নিদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ আমার দিকে চেয়ে বলল — থাকি না।

— এভাবে বিরক্ত করছেন কেন ভোর বেলাতে? এখন কটা বাজে জানেন?

— জানি।

— কটা বাজে?

— বাজে না।

তারপর লোকটা হন হন করে হেঁটে চলে গেল। হয়তো কাল আবার আসবে।

Ogdenvironment

I wish I knew from the bottom of my heartest
What sort of a residence I ought to have preferredest
As global warming makes summers ever hotter
And winters are turning now longer and coldter
Perhaps what’s called for’s an exchange in hemisphlias
Himalayas for summers and winters in Australias.