Author Archives: dipankardasgupta

Dipankar Dasgupta received his early education in Calcutta (now called Kolkata), India and moved on to the University of Rochester, NY, USA, where he was awarded a PhD degree in Economics. He did most of his academic research and teaching in the Delhi and Kolkata campuses of the Indian Statistical Institute, from where he retired in August, 2006 as Professor of Economics. He has also taught and researched in visiting capacities as well as a regular faculty member in different universities in Canada, Hong Kong, Japan and the USA.

His interests vary from Economic Theory to creative literature and vocal music. He writes stories, memoirs and poems in English and Bengali and sings semi-classical music, mostly in Bengali. He is also interested in foreign languages, Japanese being his favorite. He writes for the printed media and is a regular TV commentator on subjects of socio-economic interest. Dipankar and his wife, Sankari, live in Kolkata, India.

নালিশবুড়ো

palishgram

পালিশগ্রামে করত নালিশ ক্রুদ্ধ সে এক বৃদ্ধ —
বেয়াইনি এই শীত কেন বল করছে না নিষিদ্ধ?
এই সরকার নেই দরকার
দিস নে ওদের ভোট কভু আর
কাঁপতে কাঁপতে নালিশিস্কুলে পালিশগ্রামের বৃদ্ধ।

***

***

Advertisements

Deep —Haiku

frozen tears from past-
thawing drowns you in deluge-
freeze them deep, deep, deep …

***
***
***

Winter Warmth – Haiku

yet one more day spent,
basking in your warm brown eyes —
icy cold winter …

***
***

পার্সোনালিটি – ফোনুগল্প (অণুগল্প ৫)

আমাকে কেউ ফোন টোন করে না। তাই আমিও করি না। কিন্তু মাসের শেষে ফোনের বিল দিই। কেন কে জানে? বিমর্ষ লাগে। মাঝে মধ্যে অবশ্য ফোন বেজে উঠে হর্ষ জাগায়। আমি উৎসাহে লাফিয়ে উঠি।

–হ্যালোওওও।

অপর দিক থেকে পুরুষ বা নারী কণ্ঠ শোনা যায়।

— কে কানাই ড্রাইভার? কাল আসবি বলে এলি না কেন?

বুঝি এ ফোন আমার নয়। তবু জবাব দিই।

–মিথ্যে কথা বলেছিলাম। তুই বরং চলে আয়।

কণ্ঠস্বর চমকে ওঠে।

–মাল খেয়েছিস নাকি বেটা? সাহস তো কম না। তুই বলছিস!

আমি ফোন রেখে দিই।

আরেক জাতীয় ফোন আসে। নারী কণ্ঠ। আজই এসেছিল। সে আর হ্যালো বলল না।

–মিস্টার দীপংকর? আমি এয়ারটেল থেকে বলছি। আপনার জন্য একটা দারুণ অফার আছে মিস্টার দীপংকর।

এই মিস্টার দীপংকর সম্বোধনটার সঙ্গে আমার পরিচয় নেই। উত্তর ভারতে অনেকে মিস্টার গুপ্তা বলতেন। তাঁরা ভাবতেন ভগবানদাসের মত আমার নাম দীপংকরদাস আর পদবী গুপ্তা। বহু বুঝিয়েও তাদের দাশগুপ্ত ব্যাপারটা বোঝাতে পারি নি। কিন্তু মিস্টার দীপংকরটা নতুন ঠেকল।

–তাই বুঝি? কী অফার, আরেকটা সিম কার্ড?

— না, না, মিস্টার দীপংকর। আপনি আমাদের অনেকদিনের কাস্টোমার, তাই আপনাকে একদম ফ্রি-তে একটা স্পেশাল অফার দেওয়া হচ্ছে।

–তাই? একটু খোলসা করে বলবেন?

–অবশ্যই বুঝিয়ে দেব মিস্টার দীপংকর। এটা থাকলে আপনাকে যে ফোন করবে সে কোনও ক্রিং ক্রিং শুনবে না।

আঁতকে উঠলাম।

–সে কী? কিছু না শুনলে তো মুশকিল হবে। অবশ্য কানাই ড্রাইভারের খোঁজ করলে অন্য কথা।
–কী বললেন মিস্টার দীপংকর? কানাই? আপনি মিস্টার কানাই?

–না না, আমি কানাই না। সে অন্য লোক।

নারী কণ্ঠে খুশি উপচে পড়ে।

–মিস্টার দীপংকর, এই অফার নিলে যিনি আপনাকে ফোন করবেন তিনি শুনবেন “হ্যালো, আমি মিস্টার দীপংকর বলছি”! আর সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এটা আপনি যেকোনো ভাষায় শোনাতে পারবেন। কেবল বছরে একবার মাত্র ৩০০ টাকা দিতে হবে।

বিনা মূল্যের মূল্য ৩০০ টাকা।

তবু একটু ভাবলাম। আইডিয়াটা মন্দ নয়। কানাই ড্রাইভারের হয়ে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে না। তবে সে লোকটাকে এত শত কথা বলব কেন? জানতে চাইলাম।

–এমন হলে আমার সুবিধা কী?

–মিস্টার দীপংকর, কলারের কাছে আপনার পার্সোনালিটি দারুণ বেড়ে যাবে।

মেয়েটির গলায় উত্তেজনা।

–সে কী? আমার ফোন এই অদ্ভুত উপায়ে আমার পার্সোনালিটি বাড়িয়ে দেবে?

–হ্যাঁ মিস্টার দীপংকর, যে শুনবে সেই ইম্‌প্রেস্‌ড হবে।

–তাই নাকি? আচ্ছা আপনি নিজে একবার শুনে দেখুন তো। আমি মিস্টার দীপংকর বলছি। আপনি কি ইম্‌প্রেস্‌ড হয়ে গেলেন এটা শুনে?

–না, মানে আমি তো এয়ারটেল থেকে বলছি।

–না? আপনি না বললেন? ইম্‌প্রেস্‌ড হলেন না?

–না। মানে হ্যাঁ, মানে ঐ আর কী! আসলে আমি তো কোম্পানি থেকে বলছি।

–তাই তো জিজ্ঞেস করছি। আপনি ইম্‌প্রেস্‌ড হয়েছেন কি? এটা জানা খুব জরুরি। এয়ারটেল ছাড়া আর কেউই প্রায় আমাকে ফোন করে না। এয়ারটেল নিজেই ইম্‌প্রেস্‌ড না হলে ৩০০ টাকা দেব কেন?

–মিস্টার দীপংকর! এয়ারটেল তো কোম্পানি।

–আর আপনি? আপনি কী? মানুষ না কোম্পানি? আমি জানতে চাই আপনি আমার পার্সোনালিটির ব্যাপারে ইম্‌প্রেস্‌ড হয়েছেন না হন নি। আমি মিস্টার দীপংকর বলছি।

বেচারা মেয়েটা, দু-চারটে পার্টি ধরে দিতে পারলে কমিশন পাবে। একটু কষ্টই হল।

–দেখুন, আমি যাকে বলে বেশ পাঁচু টাইপের একটা লোক। পাঁচুর ঐ পা-টুকুতেই পার্সোনালিটির সঙ্গে মিল। আমার মনে হয় আপনিও আমারই মত একটা লোক। তবে আমার পার্সোনালিটি বিহীন জীবনের আর অল্পই বাকি আছে। আপনাকে কিন্তু এখনও অনেক বছর এয়ারটেলওয়ালাদের দুর্দান্ত সব অফার নিয়ে মিস্টার দীপংকরদের পিছনে ছুটতে হতে পারে। আপনাকে কেউ ফোন টোন করে? আমাকে করে না, আপনার মত ভুল না করলে।

পিলু বারোয়াঁ

বংশী বাদন বলেন — বাঁশিকা
প্রয়োজন কী রে আছে তো নাশিকা
হাঁচির উপরে হাঁচিকা আমার
শোনাবে খেয়াল, ধ্রুপদ, ধামার —
খরচা বাঁচাব, কিনব না আমি বাঁশিকা।
_______________
Inspired by ÉDOUARD — Ogden Nash

A bugler named Douglas MacDougal
Found ingenious ways to be frugal.
He learned how to sneeze
In various keys,
Thus saving the price of the bugle.

শৈত্য ভাবনা

কেউ কি ভেবেছ দেখে কোনোদিনও তোমরা?
পোষ-মাঘে কেন থাকে রুগীগুলো গোমড়া?
হয়তো বা ঠাণ্ডায়
ডাক্তারি ডাণ্ডায়
থাকে না রুগীরা কেউ হোমরা কী চোমরা।

***
***

প্রেমে পাপ, পাপে মৃত্যু।

অবন্তিকা!
এ ভরা ফাগুনে
ঝলসে আগুনে
হলে হায় মম
হনন্তিকা!

***
***

কেন?

কেন যে গোবরা কভু,
গেল না গোরবা-চভু?

***
***

ভগবান।

ভগবান, ওরে, ওরে!
বানালিই যদি আমাকে তাহলে
নিজে কেন গেলি মরে?

***
***

পাঁঠা।

ওরে পাঁঠা তোর কোর্মা,
চপ, কাটলেট, দোরমা,
খাওয়ালি রে কত এ জীবন ভরে,
ঋণ শোধ তোর করি যে কী করে,
স্বপ্নেও ভেবে পাই না!
হৃদয়টা তোর হলেও বিশাল,
ভাবি আমি তবু সকাল বিকাল,
মগজটা তোর ফাঁকাই বোধহয়,
যত দেখি তোরে তাই জাগে ভয়,
তুই হতে আমি চাই না।
____

Inspired by The Pig — Ogden Nash

The pig, if I am not mistaken,
Supplies us sausage, ham, and bacon.
Let others say his heart is big —
I call it stupid of the pig.

***
***