Author Archives: dipankardasgupta

Dipankar Dasgupta received his early education in Calcutta (now called Kolkata), India and moved on to the University of Rochester, NY, USA, where he was awarded a PhD degree in Economics. He did most of his academic research and teaching in the Delhi and Kolkata campuses of the Indian Statistical Institute, from where he retired in August, 2006 as Professor of Economics. He has also taught and researched in visiting capacities as well as a regular faculty member in different universities in Canada, Hong Kong, Japan and the USA.

His interests vary from Economic Theory to creative literature and vocal music. He writes stories, memoirs and poems in English and Bengali and sings semi-classical music, mostly in Bengali. He is also interested in foreign languages, Japanese being his favorite. He writes for the printed media and is a regular TV commentator on subjects of socio-economic interest. Dipankar and his wife, Sankari, live in Kolkata, India.

Yellow House

Early Version: January 14, 2015
Latest Version: May 27, 2015   
By the field, the mason deftly made
The yellow house, with a modest strip of yard
Latticed scaffold, boundary-wall brick-laid
All of these the mason deftly made. 

For the house, how deeply did he care
Kept it tidy, as he would his face
That no one called it horror, nor failure 
Or an outpost, a forlorn gathering place. 

By the field the mason deftly made
The yellow house, where clouds billowed and flocked
And, besides, the latticed scaffold swayed
Luckless fate, in trite pomposity locked.

Suddenly an eve brought tremors down the street
As a vehicle pulled up southwards with panache
Fun-watchers, curious, swarmed forwards to greet
As he bought up all there was in cash.

Alone, and away from public view to find,
The mason left his scaffolding behind.

Translation-cum-transcreation of a classic Bengali poem হলুদবাড়ি (holudbari) meaning ‘Yellow House’ by Shakti Chattopaddhay. The poem appeared in the collection ধর্মে আছো জিরাফেও আছো (dhorme achho giraffe-eo achho, meaning, you exist in religion as well as in the giraffe). Surja Sankar Ray’s help is gratefully acknowledged. But for him, the project would have remained incomplete.

More or Less

By the time he had made enough money to buy whatever money could buy, he realised that he was too old to recollect what he thought money could buy before he had made enough money to buy, to buy whatever money could buy, and wished that he had made far less money to buy than what money could buy and remembered far more about what he thought money could buy if he had money to buy.  


I wonder what this bee wants with me. I don’t think it wishes to sting me, but it’s flying too close to me for my comfort. I never invited it in when I went to collect the morning paper. It’s been whizzing past me ever since, not letting me concentrate on the news. Finally, it comes down and perches on the newspaper next to my right thumb. I throw away the newspaper in alarm and run out into the balcony. The bee follows me and disappears somewhere inside the tree facing me from the street. The tree is in full bloom. Like the bee, I don’t know the name of the flowers, but they are lovely to watch. I stare at them as they softly glow under the autumn sun. Quite oblivious of newspapers. I think the bee has accomplished its mission.

গগনবেড় — Pelican

A limerick that cannot but remind you of Ogden Nash, was apparently not written by him. It seems to have been penned by yet another American, Dixon Lanier Merritt, in 1910. There are two versions of the poem.

Version 1.
A wonderful bird is the pelican.
His bill can hold more than his belican.
He can hold in his beak
Enough food for a week,
But I’m damned if I see how the helican.

Version 2.
A funny old bird is a pelican.
His beak can hold more than his belican.
Food for a week
He can hold in his beak,
But I don’t know how the helican.

Incidentally, I searched for other poems by Merritt, but could not locate a single one other than this one.

Produced below are two of my own Bengali adaptations of the limerick.

Version 1.

আজব পক্ষী বাবা পেলিক্যান
উদর চাইতে তর ঠোঁইট ক্যান
ধরে বেশি খাইদ্য?
শিবেরও অসাইধ্য
দেওন এ রহইস্যের ব্যাইখ্‌ক্যান।

Version 2.

গগনবেড় (পেলিক্যান)
গগনোবেড়, সে জাতে ক্রৌঞ্চ
উদর ছাপায়ে যার চৌঞ্চ
ধরে বেশি খাদ্য
বোঝে কার সাধ্য —
সে কি শুধু অলীকো প্রপৌঞ্চ ?

Thalia the Greek

Thalia, lovely Thaliah
I wished, desp’rately, to marryhah
But Thalia was a Greek
A language I did not speak
How insurmountable that barrihah! 

Style inspired by Ogden Nash


ভাসতে ভাসতে মেঘটা হঠাৎ থমকে
দারুণ ডেকে আমায় দিল চমকে
তারপরেতে জানলা দিয়ে খানিক হাপুস চোখে
দেখল আমায় — মিছেই মনে পড়িয়ে দিল ওকে
আসল ফিরে গানগুলো তার বৃষ্টি ভেজা সুরে
মেঘের কোলে এলিয়ে যে গান হারিয়ে গেছে দূরে
মেঘটা কেবল থমকে
মিথ্যে আমায় চমকে
এমনি করে পালায় কেন অনন্তকাল দূরে?
যেখান থেকে দেখবে না কেউ একটি বারও ঘুরে?

Harakiri – Haiku

sharp blade of lightning–
sky used to carve itself up —
harakiri time …

দুষ্টু খেয়াল

সব্বোনেশে খেয়াল 
কে জানে হায় 
চাপল মাথায়
করল আমার এ হাল?
বলল আমায় খেয়াল
সবায় দিয়ে তালাক
হয়ে যা রে তুই
হয়ে যা রে তুই
হয়ে যা রে তুই চালাক -- 
হয়ে যা রে তুই
হয়ে যা রে তুই
চালাক একটা শেয়াল!
বানিয়ে আমায় শেয়াল
বলল ডেকে খেয়াল
কখ্‌খনো আর খেটে  
চলবি না পথ হেঁটে
পারবি তবেই টপকাতে তুই
দুনিয়া ভরা দেয়াল।
সব্বোনেশে খেয়াল
পার করাল, পার করাল
যেথায় যত দেয়াল।
তারপরে একদিন
বলল খেয়াল
আর বাকি নেই 
টপকে যাওয়ার দেয়াল।
রয়েছে শুধুই গর্ত
নামটি তাহার মর্ত্য 
সেইখানেতেই অনন্তকাল 
বাস করে সব শেয়াল।
হুক্কা হুয়া রবে
একমাত্র ওদের সাথেই 
জায়গা তোরও হবে!
দুষ্টু আমার খেয়াল 
ঢুকল কেন 
এই মাথাটায় 
হায় হায় হায় 
হায় হায় হায়  
করল আমার এ হাল? 

Memories — Haiku

            lovely moon shining --
        behind rain soaked rolling clouds --
            lingers on her face ...

ভগবানের জন্মদিন — অণুগল্প

ভগবান এত বুড়ো যে ভুলেই গিয়েছে কবে তার জন্মদিন। কেবল যে ভগবানকে তৈরি করেছিল তার শর্ত অনুসারে, ভগবান মরতে পারবে না। অবশ্য সে লোকটা যে কে তা ভগবান জানে না। ভগবান অনাথ, অথচ তার বিপুল ক্ষমতা।

এই ক্ষমতার জোরে ভগবান পৃথিবী বলে একটা জায়গা সৃষ্টি করল। পৃথিবী ভরিয়ে দিল হাজার হাজার জিনিসপত্রে। হেঁটে চলে বেড়ায় এমন জিনিসও ভগবান তৈরি করল। তারপর একদিন হঠাৎ মানুষ বলে এক জীব বানিয়ে ফেলল। মানুষ বানিয়ে অবধি ভগবান ভারি খুশি। কারণ একমাত্র মানুষরাই ভগবানকে দেখতে পায়। অবশ্য সব মানুষই যে এক ভাবে ভগবানকে দেখে তা নয়। পৃথিবীর নানা জায়গায় ভগবানের নানা আকৃতি। প্রকৃতিও। তবে ভগবান নিজে কোনোদিনও নিজেকে দেখেনি। ভগবান নিজেকে দেখার আয়না আবিষ্কার করতে পারে নি।

এদিকে মানুষ ভগবানকে দেখতে পায়। আর ভগবান সম্পর্কে মানুষ একটা জবর খবর রাখে। খবরটা হল ভগবান চাইলে সব কিছু করতে পারে। যত শক্ত কাজই হোক, ভগবান করতে পারে। সব সময় যে ভগবান মানুষের ইচ্ছে মত কাজকর্ম করে দেয় এমন না। অনেক মানুষ আছে যারা পরীক্ষায় ফার্স্ট হতে চায়। তারা রাতদিন ভগবানের পুজো করে, ফুল বেল পাতা দিয়ে। যাদের পয়সা কড়ি আছে তারা মন্দির বানিয়ে তার ভিতর ভগবানকে আরাম কেদারায় বসিয়ে রাখে। কিন্তু আসল সময় দেখা যায় ভগবান তাদের সেকন্ড বা থার্ড করে দেয়। কী কারণে অন্য কাউকে ফার্স্ট করে দেয় কে জানে।

অনেকে মরতে চায় না। ভগবান তাদের কথাও শোনে না। ভগবান অতি স্বার্থপর। নিজে অমর থেকে বাকি সকলকে নশ্বর বানিয়েছে। এটা যে ঘোর অবিচার তা জেনেও হাজার কোটি লোক ভগবানের কাছে আম, জাম, লিচু, দই, সন্দেশ, সুন্দরী বউ, গাড়ি,বাড়ি কেবল চেয়েই যায়।

এমন করে অনন্ত কাল কেটে গেল। ভগবানের ভাণ্ডার থেকে রোজই অজস্র কিছু জিনিসপত্র অজস্র মানুষদের দিতে হয়। সর্বক্ষণ। প্রত্যেক মুহূর্তে। যেখানেই মানুষ জেগে আছে সেখানেই ভগবানের উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। আর পৃথিবীর সর্বত্র সব সময় কেউ কেউ না কেউ জেগে থাকে। পৃথিবী তৈরি করার সময় ভগবান এটা খেয়াল করে নি যে মানুষ যদি সর্বক্ষণ জেগে থাকে তবে ভগবানের ঘুমোবার সময় থাকে না। ঘুম পেলেও ঘুমোরার জো নেই। হাই তুলতে তুলতে মানুষদের আবদার শুনতে হয়। তারপর ভাবতে হয় কোন আবদার রাখবে, কোন আবদার রাখবে না। যাদের আবদার মেটে না তারা মাঝে মাঝে ভগবানকে গালমন্দও করে। অভিশাপ দেয়। সেটাও ভগবানকে শুনতে হয়।

গালাগাল শুনতে শুনতে একদিন ভগবান গেল ভীষণ চটে। ভাবল — আমি জন্মালাম কেন? সবাই মরে, আমি মরি না। যাচ্ছেতাই।

তারপর নানা চিন্তা করে মানুষকে জব্দ করার একটা উপায় বের করে ফেলল। ভগবান নিয়ম করল তাকে আর পুজো করা চলবে না। মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার আরও যেখানে যেখানে পুজো করা হয় সব কিছু বন্ধ করে দিল। ভগবানের কাছে কিছু চাওয়ার কোনও পথ রইল না।

আসলে অনেকদিন ধরে ভগবান কিছু তৈরি করে নি। এবার হঠাৎ এক মারাত্মক অস্ত্র বানিয়ে ফেলল। মানুষ তার নাম দিল করোনা। করোনা মানুষকে ধরলেই চিবিয়ে খেয়ে ফেলে। আর ভগবান মরতে চাইলেও, মানুষ কিছুতেই মরতে চায় না। আবার করোনাকে মানুষ কাবুও করতে পারে না। কেবল একটা ব্যাপার বোঝা গেল। করোনার থেকে দূরে থাকতে গেলে মানুষের থেকেও দূরে থাকতে হবে। নইলে একটা মানুষকে চিবোতে চিবোতে কাছাকাছি মানুষের উপরেও লাফিয়ে পড়ে করোনা তাকে চিবোতে পারে। ভগবান এই ভাবেই করোনা তৈরি করল।

এটা দারুণ বুদ্ধির খেলা। কারণ মন্দিরগুলোতে, গির্জাগুলোতে, মসজিদগুলোতে মানুষের বেজায় ভিড়। ঠাসাঠাসি,গাদাগাদি। সকলেই ভগবানের কাছে আগে আগে আবেদনপত্র জমা দিতে মারামারি করছে। এদিকে করোনা তো ভগবান সর্বত্র ছড়িয়ে রেখেছে। ধাক্কাধাক্কি করতে গিয়ে মানুষরা একে অপরের থেকে দূরে থাকা ভুলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে করোনা মানুষের মধ্যে ঢুকে তাদের বেঁচে থাকার রাস্তা বন্ধ করে দেয়।

শেষ অবধি মানুষ বুঝতে পারল যে বাঁচতে হলে একা একা বাঁচতে হবে। সকলে মন্দির টন্দির ছেড়ে পালাল। ঘরের ভিতর লুকিয়ে বসে ঠকঠক করে কাঁপতে লাগল। মানুষের লক্ষ কোটি চাহিদার কথা আর মনেই রইল না। সকলের মনের মধ্যে একটাই চাহিদা। ফার্স্ট হতে চাই না, নামধাম চাই না, টাকা পয়সা চাই না। শুধু বেঁচে থাকতে চাই। বেঁচে থাকার চেয়ে মধুর কিছু নেই।

ভগবানের ভাণ্ডার জিনিস দিতে দিতে প্রায় নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল। আর সেই ভাণ্ডারে মানুষের অমরত্ব কোনোদিনই ছিল না। তাই মানুষকে দেবার মত ভগবানের কাছে কিছুই রইল না। এবং আস্তে আস্তে কোনো না কোনো কারণে সমস্ত মানুষই মৃত্যুবরণ করল। কেউ করোনায়। কেউ অন্য রোগে, লুকিয়ে থাকা ডাক্তার বদ্যির খোঁজ না পেয়ে। কেউ অনাহারে।

শেষ মানুষটা মরে যাওয়ার পর ভগবান বড় খুশি হল। ফিক করে হেসে নিজেই নিজেকে বলল — আজ আমার জন্মদিন। হ্যাপি বার্থ-ডে টু ইউ।