Tag Archives: a kaleidoscope world

Coroneeya

Folks, I’m told there’s nothin’ to feeya

For coroneeya’s simply melareeya

So it seems assures Trumpia the grouchia

Leaving no escape for Anthonia Faucia.

_________
Ogden Nash inspired.

গান

(রাগ বেহাগ, জলদ একতাল। চলন – রজনীকান্ত সেনের “কেউ নয়ন মুদে দেখে আলো/ কেউ দেখে আঁধার”)

কেউ বলে ক-রোনা চিনা

কেউ বলে কপাল

(আবার) কেউ বলে সে পাকিস্তানের

সব্বোনাশা চাল।

(কেউ বলে কপাল …)

কেউ বা বলে ছুঁসনে আমায়
কেউ বা বসে মুখোশ বানায়
কেউ চিল্লায় আন ক্লোরোকুইন
ছিঁড়ব নচেৎ ছাল।

(কেউ বলে কপাল …)

কেউ বলে সে হাঁচলে আসে
কেউ বা পালায় কাশলে পাশে
কেউ বলে তার জম্মো দিল
প্যাঙ্গোলিনের পাল।

(কেউ বলে কপাল …)

কেউ বা বলে ছাপ রে টাকা
কেউ বলে ভাই বিড়িই পাকা
কেউ জ্বলছে ক্ষিদের জ্বালায়
দিচ্ছে গালাগাল।

(কেউ বলে কপাল …)

একলা আমি ঘরের কোনে
সাবান দিয়ে আপন মনে
চলব বোধহয় হাতই ধুয়ে
হায় অনন্ত কাল।

(কেউ বলে কপাল …)

দুষ্টু বুড়ি


জানিস না কি, দুষ্টু বুড়ি

বয়েসটা তোর একশ কুড়ি?

তাই বলে কি মধ্য রাতে

স্বপ্ন আমার করবি চুরি?

দুষ্টু, দুষ্টু, দুষ্টু বুড়ি

যখন তখন স্বপ্ন চুরি

করলে আমি কেমন করে

মেঘ মুলুকে বেড়াই উড়ি?

দুষ্টু বুড়ি, দুষ্টু বুড়ি

বয়েসটা তোর একশ কুড়ি

তাই বলে কি যা খুশি তোর

ইচ্ছে হলেই করবি চুরি?

নিরো

ভাসতে ভাসতে মেঘটা হঠাৎ থমকে

আমায় দিল চমকে —

বলল সে তুই করবি কী আর বল?

আমার সাথে তার চে’ বরং নীল আকাশেই চল ।

পুড়িয়েছে তোর কপালখানা সে,

আঠারশ ঊনত্রিশে,

বাজিয়ে দোতারা পুড়িয়েছিল

যেমন নিরো রোমকে।

তাই তো বলি মেঘ হয়ে তুই

নীল আকাশেই চল —

সেখান থেকে বৃষ্টি সেজে

ফেলিস চোখের জল।

ওরা

ওরে ব্রহ্মাণ্ড

এ কী তোর কাণ্ড

জানালা একটা নেই

খাড়া তোর দেয়ালে!

ওপারেতে আছে যারা

হাসে না কী কাঁদে তারা

কিছুই দেখালি না রে

খ্যাপা তোর খেয়ালে।

মিনতি


করোনা গো করোনা!
এক কাজ কর না!
আমাদের ছেড়ে নিজে
মর না গো মর না!

মোক্তার


মেচেদায় মধুকর মোক্তার
মাঝরাতে জেগে ওঠে শোক তার
কাঁদে ঘড়া ঘড়া ভরে
গলা ছেড়ে দোরে দোরে
মেচেদাতে মধুকর মোক্তার।

Exchange

cherry
 
 
desolate2

 In its stead then, you receive
          A silent pool wrought just for you
          A looking glass clear and painted blue
               Water, light-filled, glows --
          Image of a branch, flowers bowed 
          The fluttering sail of a violet cloud
                  A fulfilled heart assures --
An inward eye can all perceive. 


In its stead then, you receive
         Musings mundane, void and bare
         Dusty feet marked paths that stare
               Winds sucked dry of tears --
         A distant familiar voice might call
         During a midday, bereft of all
               No one turns and hears.
These too did you have to leave!                  

_______
Translation-cum-transcreation of a classic Bengali poem বিনিময় (binimoy, meaning exchange) by Amiya Chakravarty. The poem was published around 1953 in a collection of Chakravarty’s poems entitled পারাপার (parapar, meaning ferrying across). I take this opportunity to thank my wonderful friend Surja Sankar Ray for his interpretation of the poem as well as his advice on the many drafts preceding what has been posted.

Waiting — Flash Fiction # 13

They had been waiting for weeks when a few of them pointed out that they had waited for months, and soon enough the months changed to years, till, finally, those who were still alive forgot what they were waiting for, even though they felt vaguely that they had been waiting. 






Granny — Flash Fiction # 12

Granny too was excited to hear the patter of feet coming up the staircase on that silent afternoon, but they passed by the closed door of her empty home, climbing further up and finally moving out of her hearing range. As always.